সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

আজও অষ্টমী

আমার পুজো উদযাপন : আজও অষ্টমী (দেবী কৈলাস হইতে পুত্রকন্যাসহ আসিলেন পিত্রালয়ে কিন্তু মনুষ্য দ্বারা রচিত ফাঁদে পড়িয়া পথ হারাইলেন যেমত গঙ্গা শিবের জটায় জড়াইয়া বিভ্রমে ছিলেন সপ্তমী শেষে পঞ্জিকার ফাঁদে পড়িলেন , ফলে অষ্টমী বাহারি মেজাজে ঊনিশ তাজা প্রাণ বগলদাবা করিয়া দুই দিন নৃত্য করিল। ফলে আজও অষ্টমী।) থলি হাতে বাজারে গেলাম, মাছ শূন্য বাজার বাঙালী আজ আমিষ ছোঁবে না, যদি কেউ ছোঁয় শিশুসুলভ চপলতায় যদি কেনে, শাসকের রক্ত চক্ষু কেউ যদি না দেখতে চায়, বাজারে বন্ধ তাই আমিষ তাই কী ? চল ফিরে মায়ের হাত ধরি ওই দেখ গোবরে উঠোন নেপেছে মা উঠোনের মাঝখানে আলপনা, মাটির প্রদীপ রাতজেগে বানানো পিঠের থালা, জল ভরা কলসী কলার পাতায় সাজানো হলুদ ও নিমপাতা বাটা সারা গায়ে মাখতে হবে তারপর জলে হাবুডুবু কলার ডগায় ধোঁয়া থেকে বানানো কাজল এবং কাঁচা তেঁতুল পোড়া, স্নান সেরে পরতে হবে চোখে মাখতে হবে ঠোঁটে তারপর পান্তাভাত ' আশ্বিনে রাধে-বাড়ে কাতিতে খায় যে বর চায় ... সেই বর পায় ' তার আগে শেষ রাতে লাঠি দিয়ে পেটাতে হবে ঘরের বেড়া, সব অকল্যাণ তাড়াতে হবে ' এই বাড়ির ইন্দুর বান্দর ওই বাড়ি যা ওদের নোট খুঁচে খা ' তারপর মশাল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি হুড়োহুড়ি বাড়ির এধার থেকে ওধার আজ গাসি , কৃষিজীবী বাংলার নতুন বছর পুরানো সব ঝেড়ে ফেলে নতুনের আবাহন কি বর চেয়েছিলি গোলাভরা ধান নাকি লক্ষ্মীর বসতি ? চঞ্চলা তুই, দেখা হয়নি দখিন দুয়ার খুলে । ১৯.১০.২০২৬

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দশমী

আমার পুজো উদযাপন : দশমী আধ খাওয়া আপেল যেন দশমীর চাঁদ ঢাকের এলোমেলো বাজনা , উলুধ্বনী লাল পাড় সাদা শাড়ি বৌদের সিঁদুর খেলা বাচ্চাদের হৈ ...