Writing Blog of goutamaalee
Lifestyle of a refugee is always disaster. One of my hoby is writing. Sometime I write short stories and poems in Bengali. Most of the writings are reflection of refugee life. I welcome you to my writing world. Please inscribe a comment, if possible. Thank you. Writing blog, writing blog for money, writing blog on instagram, writing blog posts, writing blog site, writing blog job, blogger, blogger platform, best free blogger site, ব্লগার, বাংলা ব্লগ, গল্প, কবিতা, গল্প ও কবিতা, #goutamaalee .
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
মেঘনাদ
https://www.facebook.com/share/p/1CbqJuT21U/
মহাকাব্য রামায়ণ বা মহাভারত কি আড়াই ঘণ্টার ক্যাপসুলে পোরা সম্ভব? তেমনি একটা চেষ্টা করা হয়েছে বিজ্ঞানী মেঘনাদের মহাকাব্যিক জীবনকে আড়াই ঘণ্টার সময়সীমার মধ্যে নাটক হিসেবে মঞ্চস্থ করার। বিজ্ঞান ও রাজনীতির মহারথীদের সমাবেশ নাটকের চরিত্রে। বিজ্ঞানী - রাজনীতিবিদ মেঘনাদকে কেন্দ্র করে যাবতীয় কার্যক্রম। ভারতীয় ধর্মীয় সমাজনীতির সমাজবিভাজনের নোংরা পরিবেশে কিভাবে একজন মহান মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত লড়তে লড়তে নিঃস্ব হয়ে যান - সেই আখ্যান।
মেঘনাদ নাটক তৈরিতে জড়িয়ে আছেন একাধিক বিজ্ঞানী, একজন বিজ্ঞানীকে নিয়ে কাহিনী বানাতে যা ছিল অপরিহার্য।
কাহিনীর বিন্যাস সময় সারণী অনুসারে হয়নি। শুরু প্রায় শেষ জীবনে, পরক্ষণেই কৈশোরে। আগু পিছু করে নাট্যকার সাজিয়েছেন যা চিন্তার পরিসর সম্বৃদ্ধ করে। স্কুল জীবনে যে কারণে তিনি বঞ্চনার সনদ হিসেবে রাজটিকিট পান - সেই বঞ্চনা সেই রাজ টিকিট সারা জীবন ধরেই পেতে থাকেন। সেই রাজ টিকিট মেঘনাদকে নোবেল পুরস্কার পেতে তীব্র বাঁধার সৃষ্টি করে।
পণ্ডিত জহরলাল নেহেরু, হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা, শান্তি স্বরূপ ভাটনাগর, সি ভি রমন, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ড. মেঘনাদ সাহা- সব ব্যক্তিত্ব এখন ইতিহাস, তবু এটা ঐতিহাসিক নাটক নয় কারণ এই নাটকের একটা চরিত্র এখনো জীবিত। তিনি মেঘনাদের ছোট কন্যা ড.চিত্রা রায় সাহা।
এই নাটক আমরা কেন দেখবো ?
আমাদের বই পড়ার অভ্যাস কমে গেছে। বই পড়ার আগে সংগ্রহ করতে হবে। সে সময় কোথায় ? তাই আড়াই ঘণ্টার ক্যাপসুলে গিলে ফেলা সহজ। অল্পেই পেয়ে যাব মহাকাব্যিক জীবনের স্বাদ। প্রয়োজনে তারপর তথ্য যাচাই করা যাবে।
তথ্য যাচাই - এই জন্যে লিখলাম যে বিরতির সময় গুঞ্জন শোনা গেছে, এসব কি সত্যি ?
আরও একটা কারণে এই নাটক তাড়াতাড়ি দেখতে বলবো, দেরি করলে দেখার সুযোগ না ও পেতে পারেন। বর্তমান কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কুদৃষ্টিতে পড়ার সম্ভাবনা আছে।
নাটক প্রযোজনা করেছে - অশোকনাগর নাট্য আনন। নির্দেশনা ও নামভূমিকায় চন্দন সেন।
পরবর্তী নাটক মঞ্চস্থ হবে ৬ জুলাই একাডেমিতে। খোঁজ নিতে পারেন Thirdbell.in
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
বই পড়া নিয়ে দুকথা
ইসলাম শান্তির ধর্ম। ছোটবেলায় শুনেছি। ছোটবেলা মেজবেলা হাত ধরাধরি করে চলেছি কোন বিড়ম্বনা পোহাতে হয়নি। বড়বেলায়ও শুনছি ইসলাম শান্তির ধর্ম কিন্তু যা দেখছি তাতে মিলছে না। কেন মিলছেনা ? ভাসা ভাসা বুদ্ধিজীবীরা যা বলেন তাতে মন তৃপ্তি পায়না। যেমন আরএসএসকে বাইরে থেকে যা বুঝতে পারি তা ওই সংগঠনের সাথে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ( Partha chatterjee) বই যা বোঝায় তা আলাদা। তেমনি ইসলাম নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা কি শেখায় তা আমরা বুঝতে পারি না কারণ ভিতরের কথা বলার মানুষ পাইনা।
" নাস্তিক ইমামের হজ্ব" - বই সেই অনালোকিত মাদ্রাসা শিক্ষা তথা ইসলামের স্বরূপ চিনতে সাহায্য করে। ধর্ম মানুষের প্রাণের আরাম। মানুষ সে আরাম যেখানে পাবে সেই ধর্মে বিশ্বাস রাখবে। কিন্তু ইসলামে সেই বিশ্বাসের স্বাধীনতা নেই। ইচ্ছে করলে ইসলাম ত্যাগ করা যাবেনা। নবীর নির্দেশ, ইসলাম যে ত্যাগ করবে বা অবিশ্বাসী হবে তার একটাই পরিণতি - মৃত্যু। একটা উত্তর এই পড়া থেকে জানলাম, ইসলাম বিশ্বাসী মানুষের প্রথম পরিচয় কেন মুসলমান, এমনকি সে যদি কমিউনিস্টও হয়।
মক্কা মদিনা যাওয়ার স্বপ্ন কোন বিধর্মী দেখতে পারেনা, সে অধিকার সে রাষ্ট্র দেয়না। সেখানে নির্মোহ বর্ণনা আছে এই বইটিতে। নিখেছেন একজন বাংলাদেশের ইমাম - মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। ইসলাম ত্যাগ করে নাস্তিক হয়েছেন এবং যথারীতি প্রাণের ভয়ে দেশ ত্যাগ করেছেন। বইয়ের দাম ২৫০/- টাকা। E-mail: aamrasachetan@gmail.com
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
আমাদের পরিবেশ: আমাদের করণীয়
আমরা যারা ধার্মিক, ধর্মগ্রন্থ ( গীতা, বাইবেল, কোরআন...) একবার পড়ে পাশে সরিয়ে রাখি না। বারবার পড়ি, মুখস্ত হয়ে গেলেও পড়ি। তেমনি পরিবেশের কথা সচেতন মানুষেরা বারবার বলেন। কারো কাছে একঘেয়েমি মনে হয়, তবুও বলেন। কারণ সুস্থ পৃথিবীর জন্যে এটা একটা ধর্মপাঠ।
৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। সেই ১৯৭৩ সালে সুজারল্যান্ডে শ্লোগান উঠেছিল - Only one Earth. প্রাণময় সেই একমাত্র পৃথিবীকে টিকিয়ে রাখতে হলে স্বাভাবিক পরিবেশে রাখতে হবে, নাহলে সেও একদিন প্রাণহীন হয়ে যাবে। আর সেই পৃথিবীর ভাগ্য বিধাতা কোটি কোটি প্রাণীর মধ্যে একটি মাত্র প্রাণী - সে মানুষ(homo sapiens)। সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী হবে সবচেয়ে সুন্দর পৃথিবীর হত্যাকারী!
এই দিন বছরে একবার আসে। কিন্তু একবার করে বা বকে পরিবেশ সচেতন মানুষের কাজ শেষ হয়না। প্রতিনিয়ত সুস্থ থাকার জন্য আমরা যে কাজগুলি করি, সুস্থ পরিবেশের জন্যেও তেমনি কিছু কাজ আমাদের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।
১। গাছ:
সুযোগ পেলে গাছ লাগাতে হবে। নিজের জমিতে বা পতিত জমিতে। আমরা বাড়িতে বা পথে যেতে যেতে নানা ফল খাই। একটু সচেতন ভাবে সেই ফলের বীজ ফাঁকা জায়গায় ফেলতে হবে। হয়তো সবার অজান্তে সেই ফল থেকে গাছ হবে, পৃথিবী একটু সবুজ হবে।
২। পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে :
যাঁদের মোটরসাইকেল আছে তাঁরা একদম হাটায় অভ্যস্ত নয়। একটু দূরে হলে তো একদম খোড়া। এই অভ্যাস পাল্টাতে হবে নিজে ভাল থাকার জন্য এবং পরিবেশ ভাল রাখার জন্য। কাছেপিঠে হলে পায়ে হেঁটে যান। একটু দূরে হলে সাইকেল চালিয়ে যান। দুই বা চার চাকার গ্যাস চালিত বাহন পরিহার করুন। এটা গ্রীন হাউস গ্যাস কমাতে সাহায্য করে।
৩। খাবার :
অতিরিক্ত খাবার ফেলে দেবেন না। খাবার পঁচে পরিবেশ দূষণ বাড়ায়। অভাবী মানুষের অভাব নেই আমাদের দেশে, তাঁদের দিন। তাঁরা উপকৃত হবে আবার পরিবেশও সুস্থ থাকবে।
৪। জৈব সার :
বাতিল শাকসব্জি লতা পাতা বাড়িতে বা জমিতে গর্ত করে ফেলুন। গর্তের মুখ চাপা দিয়ে রাখুন যাতে দূষণ না হয়। ইকোসিস্টেম অনুসারে এগুলি সারে রূপান্তরিত হবে যা মাটিকে উর্বর করবে।
৫। কীটনাশক :
চাষে, গাছে কীটনাশক ব্যবহার করার আগে ভাবুন। কীটনাশক শুধু পোকামাকড় মারেনা পাখী ও অন্যান্য প্রাণী মেরে ফেলে। প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র নষ্ট করে দেয় যা পরিবেশের ভারসাম্য তথা সুস্থতা নষ্ট করে। পরিবেশ বান্ধব ওষুধ ব্যবহার করুন।
৬। প্লাস্টিক :
সচেতন ভাবে প্লাস্টিকের দ্রব্য যেমন ব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। কাগজ, কাপড় বা বাঁশের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা যায় যা পচনশীল।
৭। গাড়ি :
জনসংখ্যা যেমন বেড়েছে গাড়ির ব্যবহারও তত বেড়েছে। গাড়ি প্রয়োজনকে ছাড়িয়ে আয়েশের বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক পরিবারে একাধিক গাড়ি এক দেখন দারি হয়ে গেছে। আমরা ভুলে যাই গাড়িতে তেলের ব্যবহার সর্বাধিক, দূষণ ছড়ায়ও সর্বাধিক। অথচ একটু সচেতন হলে পরিবেশের সহায়ক হতে পারি। দূরে বা কাছে যেতে প্রচুর ভাল এসি/নন এসি গাড়ি পাওয়া যায়। এখন তো লোকাল ট্রেনেও এসির ব্যবস্থা আছে। যেখানে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার ছাড়া উপায় নেই সেখানেই ব্যবহার হোক। কার্বন তথা গ্রীন হাউস গ্যাস কমাতে হলে সীমিত পরিসরে গাড়ি ব্যবহার করতে হবে।
৮। বাগান :
গ্রামে যদি বাড়ি হয় প্রত্যেকের কিছু জায়গা জমি থাকে। শহরে বাড়ির পাশে কিছু ফাঁকা জমি না থাকলেও ছাদ থাকে। সেই জায়গায় গাছ লাগাতে পারি, মাটিতে বা টবে। গাছ থাকলে প্রজাপতি মৌমাছি নানা ধরনের পাখি আসে। প্রকৃতির কোলে থাকার অনুভূতি পাওয়া যায়। টাটকা শাক সবজি ফল পাওয়া যায়। আর গাছ আড়ালে দান করে অক্সিজেন, টেনে নেয় বিষাক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড।
৯। অপচয়:
কত নির্দ্বিধায় আমরা জলের অপচয় করি। জলের কল খুলে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। রাস্তার কলে জল পড়েই যায়, আমরা দেখেও দেখিনা। অথচ দেশে ভূগর্ভস্থ জল নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। ভূবিজ্ঞানীরা সতর্ক করে যাচ্ছে, মানুষ শুনেও শুনছে না। দেশের বেশ কয়েকটি বড় শহরে এখনই জলের হাহাকার।
আরেক অপচয় বিদ্যুৎ। বিনা কারণে ঘরে ঘরে বাল্ব বা ফ্যান চলে। বারবার সুইচ অন অফ করতে আমাদের কষ্ট হয় অথবা অবহেলা - কে আর দেখছে, কি আর হবে....। একটু একটু করেই বড় কিছু হয়। সচেতন নাগরিক হিসেবে সেটা বুঝতে হবে অন্যকে বুঝাতে হবে। জল বা বিদ্যুৎ - দুটোর ক্ষেত্রেই লাগে তেল/গ্যাস, যা নিঃস্বরণ করে গ্রীন হাউস গ্যাস, যা আমাদের সুন্দর পৃথিবীর মারণ বিষ।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস সেই অনাগত বিপদের কথা মনে করিয়ে দেয়। পৃথিবী যদি প্রানশূন্য হয়ে যায় Only one Earth এর Only one Homo Sapiens ও হারিয়ে যাবে, চাঁদে বা মঙ্গলে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখার কেউ থাকবে না।
🌳🌳🌳🌳🌳🌳
মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
জল - জীবন
গরম কাঠ ফাটা শব্দকে গৌণ করে দিয়েছে।
পাখি শব্দের মানে বোঝেনা, বোঝে জীবন
জল জীবন ভেবে ঠোঁট ডুবিয়েছিল, ডুবে গেল নিজে।
যেমন মানুষ গ্রাম ছেড়ে শহরে আসে
পান্থশালা রেল স্টেশন বা তার ধার
অনন্তকালের ঠিকানা ভাবে, থাকে
নিজের শ্রম বিক্রি করে মানুষের কাছে
সেই মানুষ যাঁরা রেলে চড়ে, যেখানে
ধনীর পা পড়েনা, ধনীর পকেট উপচে কিছু পড়েনা।
ধনীর স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য সরকার নড়ে চড়ে
হা করে আসে বুলডোজার, গিলে নেয় সব
ছোটছোট দোকান, পথশিশুর পাঠশালা
মাটির হাঁড়ি মায়ের স্নেহ, ঔদ্ধত্বে শাহেন শাহ।
পাখি নিরন্তর হাবুডুবু খায়, যা ছিল জল জীবন।
সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
স্বর্গের খোঁজে
স্বর্গেই ছিলাম সুজলা সুফলা ভাটিয়ালি গান
কিচির মিচির পাখির কলতান সকাল সন্ধ্যা
ভাইয়ের স্নেহ বোনের আবদার মায়ের আঁচল
হাওয়ায় হাওয়ায় ছিল মিলনের বহমান সুর
শাসকের ঝটপটানি, উচ্চারিত হোল স্বর্গের লোভ
আর অমনি সুজলা সুফলা স্বর্গ দোযখ হয়ে গেল
স্বর্গের সিঁড়ি খুঁজতে পেরলাম তেপান্তরের মাঠ
সুজলা সুফলা ভাটিয়ালি গান পাখির কলতান
বুক ভরে শ্বাস ভাইয়ের বোনের এবং মায়ের আঁচল
নতুন মাটিতে বীজ থেকে চারা গজায় নতুন ভাষায়
প্রানান্তের আগে আবার শাসকের লোভের ডালি
ফাটা ছাদে চুইয়ে পড়া বেহেশ্তের মায়াবী ঈশারা
আর অমনি সুজলা সুফলা স্বর্গ নরক হয়ে যায়
তেপান্তরের মাঠ আবার ডাকে
থরথর পায়ে দিকশুন্য পথে দাঁড়াই ।।
শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
শরণার্থী
শরণার্থী
পেন্দিদের জন্ম হয়েছিল আবর্জনার মধ্যে
তখনও চোখ ফোটেনি, ওর মা সবার অজান্তে
জড়ো করেছিল অব্যবহৃত জিনিসপত্রের ঘরে।
বেশ থাকা হলো না, মিহি মিহি ডাক কানে আসতেই
সব কটাকে ফেলে দিলাম দেয়ালের ওপারে।
কাক আর মদ্দা বেড়ালের কবলে কে যে কোথায়
শুধু পেন্দি বেঁচে গেল পালানো জীবনে।
আবার দেখলাম বাড়ির আঙিনায়
একটু বড় হয়েছে, এক চোখ বন্ধ
দূর থেকে তাকায় ভয়ে ভয়ে, কাছে গেলে পালায়
হাতের লাঠিকে সে একদম বিশ্বাস করে না।
আমি তাকে খাবার দেইনা, তবু সে বেঁচে থাকে
আমার আঙিনায় আসে, দূর থেকে দেখে
এখন আর লাঠি দেখেনা, পায়ের শব্দের ভাষা বোঝে
এবং পালায়। পালানো তার জীবনের অমৃত ভাণ্ডার।
পেন্দি মায়ের খাতায় নাম লেখায় সময়ের পিঠে
তার বেবীরা চোখ ফোটার আগেই হারিয়ে যায়
যেমন হারিয়েছে তার ভাই বোনেরা
মড্ডাদের দাপটে নিজের ইচ্ছে হারায়, বারবার।
অনেকদিন বাদে পেন্দীকে আমার আঙ্গিনায় দেখি
ভেঙ্গে পড়া শীর্ণ কায়া তবে একাকি নয়
দুচোখ মেলা ছোট্ট পেন্দী মায়ের বুকে সাহস খোঁজে
আমার পায়ের শব্দের ভাষা বোঝে না,
লাঠি নিয়ে সামনে দাঁড়াই, অবিচল দাঁড়িয়ে থাকে
পেন্দির চোখ আমার চোখে, পলকহীন।
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
পাওয়ার হাইজ্যাকিং
গতকাল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত সুচতুর এবং সুপরিকল্পিত অভ্যুত্থান ঘটে গেছে। সারাদিনে যে ঘটনার উত্তর খুঁজে পাইনি রাতের অন্ধকারে সেটা পরিষ্কার হয়েছে।
সকাল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রতিবারে দুপুরে চিত্র পরিষ্কার হয়ে যায়। এবারেও হয়েছে। বিজেপি নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতায় এগিয়ে আছে। কিন্তু কোন জয় পরাজয় ঘোষণা নেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত একই চিত্র। ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা কি এতটাই অকর্মণ্য! ইতিমধ্যে মিডিয়া সমস্বরে প্রচার করছে নবান্ন ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি সরকারি দপ্তর দখল নিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী তথা কেন্দ্রীয় সরকার। (সাম্প্রতিক কালের বিভিন্ন দেশের Gen -Z কার্যক্রমের মত মনে হচ্ছে না?) । আসলে সরকারি ক্ষমতা অধিগ্রহণ হতে শুরু করেছে দুপুর গড়াতে গড়াতে।
দুপুর থেকে চলেছে সাইকোলজিক্যাল ড্রামা। ভোট হিসাব অতি ধীর করে, সমস্ত কেন্দ্রের গণনা না করে এবং জিতে গেছে এই প্রচার নিরন্তর করে দল ও প্রশাসনের মনবল ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। যেহেতু দলটা নীতিহীন ক্ষমতালোভী ও দুর্নীতিবাজ মানুষ নিয়ে তৈরি তাই তাসের ঘরের মত তাদের মনবল ভেঙ্গে পড়েছে। ওদিকে ঘরে বাইরে তাণ্ডব চলেছে। গণনা কেন্দ্রে বাহিনীর পাহারায় জয়ধ্বনি চলেছে অবিরাম। দলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বা চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এদিকে বিজেপির মিছিল বাহিনী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। দোকানপাট বন্ধ হয়েছে, পার্টি অফিস লোকশূন্য হয়ে বন্ধ হয়েছে। ফল ঘোষিত হবার আগেই এতো বছরের পরাক্রমশালী বাহিনী হার ধরে নিয়ে গর্তে সেঁধিয়ে গেছে। পাড়ায় পাড়ায় উধাও হয়ে গেছে নেত্রী ও নেতাদের হোর্ডিং, পতাকা- সেখানে জায়গা নিয়েছে বিজেপির নেতাদের ছবি ও পতাকা ! জ্ঞানেস বাহিনী দখল করলো প্রশাসন, কর্মীবাহিনী দখল করলো গণনা কেন্দ্র আর বাইক বাহিনী দখল করলো বাংলা। অথচ কি ট্র্যাজেডি - তখনও ভোট গোনা শেষ হয়নি, দুপুরের পর থেকে একই রেকর্ড বেজে চলেছে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
মেঘনাদ
https://www.facebook.com/share/p/1CbqJuT21U/ মহাকাব্য রামায়ণ বা মহাভারত কি আড়াই ঘণ্টার ক্যাপসুলে পোরা সম্ভব? তেমনি একটা চেষ্টা করা হয়েছে...
-
রোদ যখন উগ্র হয় মাটি ফাটে পুকুর শুকায়, গাছেরা দুর্বল হতে থাকে তবুও শিকড় খোঁজে অতল গভীরতা এই সত্য কোন সীমানা মানে না। প্রতিটি দেশে সংখ্য...
-
( In Bengali and English) রাজুদা, কথা রাখলেন না কেন ? গৌতম আলী আচ্ছা রাজুদা, এটা কি আপনি ঠিক করলেন ? কথা দিয়ে কথা রাখলেন না ? এটা তো আপ...
-
Title : People will Win The country became independent by hanging rainbow of the two-nation theory. While licking the charm of division...


