Writing Blog of goutamaalee
Lifestyle of a refugee is always disaster. One of my hoby is writing. Sometime I write short stories and poems in Bengali. Most of the writings are reflection of refugee life. I welcome you to my writing world. Please inscribe a comment, if possible. Thank you. Writing blog, writing blog for money, writing blog on instagram, writing blog posts, writing blog site, writing blog job, blogger, blogger platform, best free blogger site, ব্লগার, বাংলা ব্লগ, গল্প, কবিতা, গল্প ও কবিতা, #goutamaalee .
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
পাওয়ার হাইজ্যাকিং
গতকাল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত সুচতুর এবং সুপরিকল্পিত অভ্যুত্থান ঘটে গেছে। সারাদিনে যে ঘটনার উত্তর খুঁজে পাইনি রাতের অন্ধকারে সেটা পরিষ্কার হয়েছে।
সকাল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রতিবারে দুপুরে চিত্র পরিষ্কার হয়ে যায়। এবারেও হয়েছে। বিজেপি নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতায় এগিয়ে আছে। কিন্তু কোন জয় পরাজয় ঘোষণা নেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত একই চিত্র। ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা কি এতটাই অকর্মণ্য! ইতিমধ্যে মিডিয়া সমস্বরে প্রচার করছে নবান্ন ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি সরকারি দপ্তর দখল নিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী তথা কেন্দ্রীয় সরকার। (সাম্প্রতিক কালের বিভিন্ন দেশের Gen -Z কার্যক্রমের মত মনে হচ্ছে না?) । আসলে সরকারি ক্ষমতা অধিগ্রহণ হতে শুরু করেছে দুপুর গড়াতে গড়াতে।
দুপুর থেকে চলেছে সাইকোলজিক্যাল ড্রামা। ভোট হিসাব অতি ধীর করে, সমস্ত কেন্দ্রের গণনা না করে এবং জিতে গেছে এই প্রচার নিরন্তর করে দল ও প্রশাসনের মনবল ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। যেহেতু দলটা নীতিহীন ক্ষমতালোভী ও দুর্নীতিবাজ মানুষ নিয়ে তৈরি তাই তাসের ঘরের মত তাদের মনবল ভেঙ্গে পড়েছে। ওদিকে ঘরে বাইরে তাণ্ডব চলেছে। গণনা কেন্দ্রে বাহিনীর পাহারায় জয়ধ্বনি চলেছে অবিরাম। দলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বা চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এদিকে বিজেপির মিছিল বাহিনী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। দোকানপাট বন্ধ হয়েছে, পার্টি অফিস লোকশূন্য হয়ে বন্ধ হয়েছে। ফল ঘোষিত হবার আগেই এতো বছরের পরাক্রমশালী বাহিনী হার ধরে নিয়ে গর্তে সেঁধিয়ে গেছে। পাড়ায় পাড়ায় উধাও হয়ে গেছে নেত্রী ও নেতাদের হোর্ডিং, পতাকা- সেখানে জায়গা নিয়েছে বিজেপির নেতাদের ছবি ও পতাকা ! জ্ঞানেস বাহিনী দখল করলো প্রশাসন, কর্মীবাহিনী দখল করলো গণনা কেন্দ্র আর বাইক বাহিনী দখল করলো বাংলা। অথচ কি ট্র্যাজেডি - তখনও ভোট গোনা শেষ হয়নি, দুপুরের পর থেকে একই রেকর্ড বেজে চলেছে।
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
মিলেমিশে
বাংলায় বিজেপিকে অনেকেই সমর্থন করেন। তাঁরা মনে করেন একমাত্র এই দলই হিন্দুত্ব রক্ষার কান্ডারী। সে ক্ষেত্রে মহাত্মা গান্ধীর হত্যাও হিন্দুত্বের গরিমা লাভ করে। নিম্নবর্গীয় মানুষ নিজেদের হিন্দু ভাবেন যদিও তথাকথিত হিন্দুরা তাঁদের হিন্দু ভাবেনা, ঘৃণা করে। তাই নিম্নবর্গীয় অনেকেই সে দলের প্রার্থী। এটা নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। বাইরের খোলস ছেড়ে এই নিম্নবর্গীয় মানুষেরা যদি দলটির মূল ভাবনায় যায় তবে দেখতে পাবে সেখানে গণতন্ত্র নেই, আছে মনুতন্ত্র। ঘৃণার আবর্তে মানুষকে কেবল ভাগ করা। ব্রাহ্মণদের সেবাদাস বাকিরা - কেউ কম কেউ বেশি। আপনার জাতিগত যে অবস্থান, তাতে সে দল কি আপনাকে মানুষ ভাবে ? এমনকি আপনি যদি শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ না হয়ে মানুষ হন - তাহলে ব্রাহ্মণ্যবাদের এই ঘৃণাতত্ত্ব দেখলে আপনিও আতকে উঠবেন। এমন মানবতা বিরোধী দলকে আপনি কেন সমর্থন করবেন ?
আমাদের দেশ বহুত্ববাদী, বিশ্বের কাছে সে জন্যে আমরা গর্বিত। কবির কথায় - শক হুন পাঠান মোগল যেখানে একদেহে হয় লীন।
আসুন আমরা মিলেমিশে থাকি, যাঁরা বিভেদের কথা বলে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করি।
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
ডিটেক্ট ডিলিট ডিপোর্ট
দেশ শাসনের ভাগ্য নির্ধারণ করে যাঁরা তাঁরা দেশ চালায় না। প্রতিনিধি নির্বাচন করে দেশের নিম্নবর্গীয় মানুষ (SC/ST/OBC) এবং সংখ্যালঘুরা আর দেশ চালায় ভোদ্রলোকশ্রেণী।
বর্তমান শাসকদল চাইছে বর্তমান সংবিধান তছনছ করে গণতন্ত্রহীন একদলীয় (স্মরণীয় শ্লোগান - একদেশ, এক ভাষা, এক নেতা! রেল স্টেশনে এক পণ্য দোকান) শাসন ব্যবস্থা চালু করা। অথচ যাঁদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গণতন্ত্রহীন সাম্প্রদায়িক ব্যবস্থা কায়েম করতে চাইছে - সব চাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে তারাই অর্থাৎ sc/st/obc রা। সেই ডাল তাঁরা কাটছে যে ডাল তাঁদের আশ্রয়।
এবারের রাজ্য ভোটের কেন্দ্রীয় শ্লোগান - ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট। ইতিমধ্যে রাজ্যে ডিটেক্ট করা হয়ে গেছে (৯১লক্ষ)। চলছে ডিলিট পর্ব। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে ডিপোর্ট (দেশ থেকে তাড়াবে!) করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ।
এই প্রক্রিয়ায় সব চাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে sc st obc রা এবং মুসলমানরা। অনেকের কাছে উদ্বাস্তু হচ্ছে উদ্বৃত্ত। কিন্তু আদি বাসিন্দা যাঁরা অমিত শাহ্ দের পূর্বপুরুষদের থেকে হাজার হাজার বছর আগে এই ভূমিতে আছে তারাও আজ বেনগরিক হওয়ার পথে। যেমনটা ইতিপূর্বে ঘটেছে আসামে।
বিজেপি মূলত অবাঙালি তথা হিন্দি বলয়ের দল। নির্বাচনে কাপাচ্ছে দাপাচ্ছে সেই হিন্দি ভাষীরা। এই অবাঙালি আগ্রাসন থেকে বাংলাকে রক্ষা করতে সমস্ত বাঙালির একজোট হওয়ার দরকার। কিন্তু বাংলার ভদ্রলোকশ্রেণি ধরি মাছ না ছুঁই পানি করেই থাকতে অভ্যস্ত এবং থাকবে। যদিও উচ্চ বর্গীয় তথা ভদ্রলোকশ্রেণীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা আছে, রণ নীতিতে তাঁরা সব চাইতে দড় - কিন্তু সাধারণের প্রত্যাশার প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা অতি সীমিত।
সুতরাং মূল কাজ করতে হবে বাকিদের। বিজেপি ভাঙ্গন ধরাতে চায় মানুষের মধ্যে। মানুষের মধ্যে ভাঙ্গন ধরলে দেশের ভাঙ্গন ত্বরান্বিত হবার সম্ভাবনা বাড়বে।
সুতরাং সংবিধান রক্ষা করতে নিম্নবর্গীয় মানুষ ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের একজোট হয়ে detect delete deport মিশনকে প্রতিরোধ করতে বিজেপিকে একটা ভোট ও দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
Chikitsa
কর্কট রোগ হলে বড় বিপদ
চিকিৎসায় ভাল নাহলে বিয়োগান্ত নাটক
পৃথিবীর সব সুন্দর ছেড়ে চলে যেতে হয়
ভোগ শোক আশা বাসা সব পড়ে থাকে
কর্কট রোগের চিকিৎসা বেশ কঠিন নির্দয় নির্মম
বাঁচতে হলে প্রথমে মারতে হয় প্রতিটি কোষ
কোষের প্রদাহ কেমোর সুতীব্র শাসনে
তারপর ব্যবচ্ছেদ। যে অঙ্গকে ঈশ্বরের দান ভেবে
চরাচর উথাল পাথাল, ঈশ্বরকে বুড়ো আঙ্গুল।
তারপরেও কর্কটের গঙ্গাপ্রাপ্তি না হলে
গঙ্গা বিসর্জন দিতে হয় জীবন।
আমার দেশ আজ কর্কট রোগে আক্রান্ত
সাম্প্রদায়িক বিষ নীল করেছে সর্ব দেহ।
কেমো দিতে হবে সুতীব্র ক্ষিপ্রতায় অথবা ব্যবচ্ছেদ।
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
দোযখ বাস
মন্টু আর মোছিউদ্দি রেল স্টেশন থাকে।
দু চার টাকা হাতে দেয়না লোকে
কাজ করার বয়স হয়নি তাও দেয় কাজের খোটা
যদি পায় দিনের শেষে কিছু খায়
তারপর হিলতলা জুতোর খটখট দেখতে দেখতে ঘুম।
এখন রমজান মাস।
কারো খোটা বাণী শুনতে হয়না।
দিন ফুরালে যায় মসজিদ বা বাহারি বাড়ির সামনে
জুটে যায় কিছু ফলমূল
তৃপ্তিতে খায় দুইজনে
তারপর ঘুমায় অঘোরে।
মছিউদ্দি বলে, আমার তো সারাবছরই রোজা
আমার তো নিশ্চিত বেহেশত আর বাহাত্তর হুর।
মন্টুর স্বর্গ নেই অপ্সরা নেই তবু তার সাজা।।
বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
কে শত্রু
কুচক্রী কৃষ্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জুনকে বলেছিল,
ওরা ভাই নয়, ওরা শত্রু
অর্জুন গান্ডিব তুলেছিল শত্রুর দিকে
যুদ্ধশেষে বিজয়ের হাসি হাসতে গিয়ে দেখলো
তার ভাইয়েরা সব লাশ হয়ে গেছে
হাসছে শ্রী কৃষ্ণ।
হিন্দু হিন্দু বলে আমরা অবতীর্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে
সামনে যাঁরা তাঁরা মুসলিম খ্রিস্টান বুদ্ধিষ্ট শূদ্র
ওরা শত্রু ওদের দিকে তাক করছি গান্ডিব
লাশ পড়ছে আর খালি হচ্ছে
বোনের ঘর
মায়ের কোল
ভাইয়ের স্বপ্ন
হাসছে ক্ষমতালিপ্ষু হায়নার দল।
বানরের পিঠাভাগ আমরা বুঝছি না।
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
কে শেখাবে ০৩.০৩.২৬
আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠাবেন মানুষ হতে
কি শিখবে, কেমন মানুষ হবে ?
আপনি যখন নিড়ানি নিয়ে আসল বাঁচাতে ব্যস্ত
তখন আপনার সন্তান ব্যস্ত আগাছায়।
আপনার সন্তান শিখছে, শিখবে
আপনি জন্মেছেন পুরুষ ব্রহ্মার মাথা থেকে পা
কোন এক অংশ হতে
আর এইভাবে পরিচয় বয়ে চলবেন আপনি, আপনার সন্তান
না না পৃথিবীর সব মানুষ, সব ধর্মের মানুষ
এইভাবে জন্মায় না
কেবল মাত্র হিন্দুদেরই এমন পরম্পরা
আপনি গর্বিত হিন্দু
তাই আপনি দেশ ছাড়বেন কিন্তু ধর্ম ছাড়বেন না
আপনি নাগরিকত্ব হারাবেন কিন্তু ধর্ম ছাড়বেন না
আপনার সন্তান শিখবে ধর্মই একমাত্র ধম্ম
সে শিখবে ময়ূরের চোখের জলে সন্তান জন্ম নেয়
সে শিখবে হাতির মাথা কি অবলীলায় জুড়ে যায় মানুষের ধড়ে
সে শিখবে হনুমান কি করে সূর্যকে গিলে খায়
সে শিখবে না কি করে লেজের আগুনে পোড়ে মুখ
সে শিখবে না কি করে প্রশ্ন করতে হয়
সে শিখবে না কি করে জাতের সিঁড়ি ভাঙতে হয়
আপনার সন্তান বিজ্ঞান শিখবে না
অবিজ্ঞান আর কুসংস্কারের মেলায় গড়াগড়ি খাবে
উঁচু জাতের ওরা বাণী ছড়াবে হরির লুট যেমন
আর সেসব মহাপ্রসাদের লোভে
মারামারি হানাহানি করে মরবো আমরা
ওদের পথ নিষ্কণ্টক হবে।
সূর্য প্রতিদিন ওঠে
আমাদের জীবন বোধের সূর্য উঠবে কবে ?
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
পাওয়ার হাইজ্যাকিং
গতকাল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত সুচতুর এবং সুপরিকল্পিত অভ্যুত্থান ঘটে গেছে। সারাদিনে যে ঘটনার উত্তর খুঁজে পাইনি রাতের অন্ধকারে সেটা পর...
-
রোদ যখন উগ্র হয় মাটি ফাটে পুকুর শুকায়, গাছেরা দুর্বল হতে থাকে তবুও শিকড় খোঁজে অতল গভীরতা এই সত্য কোন সীমানা মানে না। প্রতিটি দেশে সংখ্য...
-
( In Bengali and English) রাজুদা, কথা রাখলেন না কেন ? গৌতম আলী আচ্ছা রাজুদা, এটা কি আপনি ঠিক করলেন ? কথা দিয়ে কথা রাখলেন না ? এটা তো আপ...
-
তোমার সামনে দাঁড়ালাম তুমি কি শিহরিত হলে আচম্বিতে! প্রতিক্ষার দীর্ঘদিন দীর্ঘশ্বাস অবসান হলো! সেই কবে কবে যেন অসংখ্য পায়ের ভিড়ে সংখ্যা...

