Writing Blog of goutamaalee
Lifestyle of a refugee is always disaster. One of my hoby is writing. Sometime I write short stories and poems in Bengali. Most of the writings are reflection of refugee life. I welcome you to my writing world. Please inscribe a comment, if possible. Thank you. Writing blog, writing blog for money, writing blog on instagram, writing blog posts, writing blog site, writing blog job, blogger, blogger platform, best free blogger site, ব্লগার, বাংলা ব্লগ, গল্প, কবিতা, গল্প ও কবিতা, #goutamaalee .
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
দশমী
আমার পুজো উদযাপন : দশমী
আধ খাওয়া আপেল যেন দশমীর চাঁদ
ঢাকের এলোমেলো বাজনা , উলুধ্বনী
লাল পাড় সাদা শাড়ি বৌদের সিঁদুর খেলা
বাচ্চাদের হৈ হৈ , আসছে বছর আবার হবে
পঞ্চাশ বছর আগে বা হাজার বছর
ফিরে ফিরে দেখি, পাল তোলা নাও যায়
ভাটিয়ালি সুর, ঘরেতে আছে পিয়া আশায় উন্মুখ
তারপর চওড়া সিন্দুরে আটপৌরে শাড়ি
নৌকায় নৌকায় আড়ং, বাহারি সাজের বাচাড়ি
সারিগান কাঁসরের তালে তালে বৈঠার হেইও
এবং নৌকায় নৌকায় দুগ্গার মেলা
তুই কি কুশোর কিনবি নাকি জিলাপি গজা?
তোর সাথে আমার বিজয়া হয়ে গেছে মা
কবে কোন ক্ষণে, রয়ে গেছে বিষাদের ভাটিয়ালি সুর।
২১/১০/২০২৬
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
নবমী
আমার পুজো উদযাপন : নবমী
বাঙালী আজ ফিরেছে তার রসনায়
ভিন গ্রহের ফতোয়া উপেক্ষা করে ব্যাগ হাতে
আমিষে আমিষে ছয়লাপ বাজার আজ
আজ নবমী।
ওই দ্যাখ, দিদিদের মুখভার
থাটেবাটে আছে ঠিক তবু মেঘের ছায়া
ওরা যে লক্ষ্মী ঘরের , ফিরে যেতে হবে স্বামীর ঘর
বাঙলার দূর্গাদের চালচিত্র এই
নবমীর মুখভার একদিন হবে তোরও
কৈশোরের আয়না ফেলে বিদায় দিতে বা নিতে।
২০/১০/২০২৬
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
আজও অষ্টমী
আমার পুজো উদযাপন : আজও অষ্টমী
(দেবী কৈলাস হইতে পুত্রকন্যাসহ আসিলেন পিত্রালয়ে
কিন্তু মনুষ্য দ্বারা রচিত ফাঁদে পড়িয়া পথ হারাইলেন
যেমত গঙ্গা শিবের জটায় জড়াইয়া বিভ্রমে ছিলেন
সপ্তমী শেষে পঞ্জিকার ফাঁদে পড়িলেন , ফলে অষ্টমী
বাহারি মেজাজে ঊনিশ তাজা প্রাণ বগলদাবা করিয়া
দুই দিন নৃত্য করিল। ফলে আজও অষ্টমী।)
থলি হাতে বাজারে গেলাম, মাছ শূন্য বাজার
বাঙালী আজ আমিষ ছোঁবে না, যদি কেউ ছোঁয়
শিশুসুলভ চপলতায় যদি কেনে, শাসকের রক্ত চক্ষু
কেউ যদি না দেখতে চায়, বাজারে বন্ধ তাই আমিষ
তাই কী ?
চল ফিরে মায়ের হাত ধরি
ওই দেখ গোবরে উঠোন নেপেছে মা
উঠোনের মাঝখানে আলপনা, মাটির প্রদীপ
রাতজেগে বানানো পিঠের থালা, জল ভরা কলসী
কলার পাতায় সাজানো হলুদ ও নিমপাতা বাটা
সারা গায়ে মাখতে হবে তারপর জলে হাবুডুবু
কলার ডগায় ধোঁয়া থেকে বানানো কাজল এবং
কাঁচা তেঁতুল পোড়া, স্নান সেরে পরতে হবে চোখে
মাখতে হবে ঠোঁটে তারপর পান্তাভাত
' আশ্বিনে রাধে-বাড়ে কাতিতে খায়
যে বর চায় ... সেই বর পায় '
তার আগে শেষ রাতে লাঠি দিয়ে পেটাতে হবে
ঘরের বেড়া, সব অকল্যাণ তাড়াতে হবে
' এই বাড়ির ইন্দুর বান্দর ওই বাড়ি যা
ওদের নোট খুঁচে খা '
তারপর মশাল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি হুড়োহুড়ি
বাড়ির এধার থেকে ওধার
আজ গাসি , কৃষিজীবী বাংলার নতুন বছর
পুরানো সব ঝেড়ে ফেলে নতুনের আবাহন
কি বর চেয়েছিলি
গোলাভরা ধান নাকি লক্ষ্মীর বসতি ?
চঞ্চলা তুই, দেখা হয়নি দখিন দুয়ার খুলে ।
১৯.১০.২০২৬
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
অষ্টমী
অষ্টমী
সারাদিন ঢাকের আওয়াজ মন্ত্রের কোলাহল
কিশোর বয়সের ছোটাছুটি, চ্যাংমাছ যেমন
চোরবাগানে লাশের পর লাশ , অষ্টমীর দুর্গোৎসব
ফিরে চল পঞ্চাশের আগে, শান্ত সকাল
পান্তাভাতের সাথে লঙ্কা পোড়া অমৃতের স্বাদ
ভরা ভাদর আরো পাগল ফারাক্কার জলে
ডুবিয়েছে পাকা ধান বাড়িঘর ধানের গোলা
কচুরি পানার ঢিবির উপর ভাসা সংসার
আশ্বিনে গেছে জল, কলঙ্কের মত রেখে গেছে দাগ
নাই - য়ের পাহাড় ঠেলে দুগ্গা এলো কোলাহলহীন
তুই কি তখন কাচের চুরি হাতে দেখেছিস স্বপন?
১৮/১০/২০২৬
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
সপ্তমী
তুই কি কখনো শিউলি ফুলের মালা গেথেছিস্?
কুড়িয়েছিস শিশির ভেজা শরতের পরশ ?
ইচ্ছের গুঁড় স্বপ্নের বাতাস যদি থাকে
তুই আমি থাকবো আজ সপ্তমীর কাশে।
১৭/১০/২৬
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
ষষ্ঠী
চল পঞ্চাশ বছর আগে ফিরে যাই।
সাত সকালে পাখি ডাকে, আজ ডাকলো ঢাক
দূর থেকে মিহিসুর বয়ে আনলো শরত আকাশ
এরপর শিশির ভেজা পা দোলাতে দোলাতে
আসবে শীতবুড়ি। আমরা সবাই শাপলা কচুরি বনে
লুকোচুরি খেলতে খেলতে হারিয়ে যাব থৈ থৈ জলে
সেই কৈশোরে পুজো আসে পুজো যায়
নতুন জামা নতুন জুতো আমাদের স্বপ্নে আসে না
আমার কখনও গেঞ্জি জোটে, তোর লাল ফিতে
পঞ্চাশ বছরের আগের আজ তুই অস্তিত্বহীন
ভাবিনি শুকনো পাতায় লাগতে পারে আগুন।
১৬/১০/২০২৬
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আলের গল্প ৬
একটা গাছ। একটা বট গাছ। যার অর্ধেক এপারে, অর্ধেক ওপারে। তার কোন দেশ নেই, কোন ধর্ম নেই। কিন্তু তাকে কেটে ফেলার হুকুম এসেছে।
এ গল্প জীবন দিয়ে অনুভব করার। বর্ডারের আলের উপর দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটা মানুষের ভিতর এমন বটগাছ আছে, যার কোন দেশ নেই।
ভারত - বাংলাদেশ বর্ডার। ঠিক সীমানা বা আলের উপর দাঁড়িয়ে আছে একটি বটগাছ। কাঁটাতার গেছে তার গা ঘেঁষে। এই গাছের নিচে একসময় হাট বসতো। এপারের মানুষ, ওপারের মানুষ, হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই সে হাটে আসতো। সবজির পশরা সাজিয়ে বসতো এপার ওপার ভাগ না হওয়া মানুষেরা। রাম রহিম সবাই। তারপর একদিন হঠাৎ দেশ ভাগ হয়ে গেল। মাঝখানে আল পড়ে গেল, দেশভাগের আল।
মানুষ ভাগ হয়ে গেল, হাট ভেঙে গেল।
কিন্তু বটগাছ রয়ে গেল, ঠিক আলের ওপর।
একদিন সীমান্তরক্ষী এলো। হুকুম হলো, গাছটি কাটতে হবে। কারণ তার ডালপালা ওপারে চলে গেছে। এটা দেশের নিরাপত্তার জন্যে বিপদজনক।
খবর শুনে দুই পারের মানুষ এলো। যাঁদের জন্ম এই গাছের ছায়ায় ছায়ায়, তাঁদের একজন বললো - এই গাছের নিচে আমার ঠাকুরদা আমাকে প্রথম হাঁটতে শিখিয়েছিল।
আরেকজন,ওপারের দাদি বললো - আমি থাকতাম.... ওই যে তালগাছটা... তার পাশে। আমার বিয়ে হয়েছিল এই গাছের নিচে।
তাঁদের দুইজনের কাছে কোন দলিল নেই। দুই জনের চোখে জল, দুইজনের যন্ত্রণা এক। কারণ দুইজনেই জানে, ওই গাছ তাঁদের শেষ আল। যে আল ইচ্ছে করলেই টপকাতে পারেনা। তাঁরা কেউ দেশভাগ চায়নি, তাঁরা শুধু একটু ছায়া চেয়েছিল, শান্তি চেয়েছিল।
আমরা আল দিয়েছি মনে, আল দিয়েছি মাঠে, আল দিয়েছি মানচিত্রে। কিন্তু একটা বটগাছকে আল শেখাতে পারিনি। সে আজও জানেনা কোনটা ভারত কোনটা বাংলাদেশ। সে শুধু জানে তার শিকড় মাটিতে আর তার ছায়া মানুষের জন্য।
আমাদের চারপাশেও এমন অনেক গাছ আছে। সম্পর্কের গাছ, বন্ধুত্বের গাছ, ভালোবাসার গাছ - যাদের আমরা নিজেরাই কাঁটাতার দিয়ে ভাগ করে রাখি।
#goutamaalee
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
দশমী
আমার পুজো উদযাপন : দশমী আধ খাওয়া আপেল যেন দশমীর চাঁদ ঢাকের এলোমেলো বাজনা , উলুধ্বনী লাল পাড় সাদা শাড়ি বৌদের সিঁদুর খেলা বাচ্চাদের হৈ ...
-
আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠাবেন মানুষ হতে কি শিখবে, কেমন মানুষ হবে ? আপনি যখন নিড়ানি নিয়ে আসল বাঁচাতে ব্যস্ত তখন আপনার সন্তান ব্যস্ত আগাছ...
-
গতকাল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত সুচতুর এবং সুপরিকল্পিত অভ্যুত্থান ঘটে গেছে। সারাদিনে যে ঘটনার উত্তর খুঁজে পাইনি রাতের অন্ধকারে সেটা পর...
-
ইসলাম শান্তির ধর্ম। ছোটবেলায় শুনেছি। ছোটবেলা মেজবেলা হাত ধরাধরি করে চলেছি কোন বিড়ম্বনা পোহাতে হয়নি। বড়বেলায়ও শুনছি ইসলাম শান্তির ধর্ম ...




