রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

চোখ মেলো কমরেড

চোখ মেলো কমরেড গৌতম আলী কমরেড সুকান্ত হবো ইতিহাস বলে চলে গেলে, ইতিহাস হলে পৃথিবীর জঞ্জাল সরাবার ছাড়পত্র লিখে গেলে শিশুর বাসযোগ্য করার প্রতিজ্ঞা করালে, করলে দেশলাই কাঠিতে বারুদের হদিস দিলে সে বারুদ জ্বলতে জ্বলতে নিভে গেল ধর্মের আফিমের বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে ধর্মে বুদ হয়ে গেল বারুদের উত্তাপ। প্রিয় কমরেড ছোট ছোট চারাগাছ যাদের জন্ম রক্তের, ঘামের আর চোখের জলের ধারায় ধারায় তারা এখনো রসহীন খাদ্যহীন বেড়ে ওঠে যত্রতত্র খবর হবার আগেই খাবার হয়ে যায় সূর্যের উত্তাপ ওদের গায়ে লাগে না সিঁড়ি হয়ে পিষ্ট হতে থাকে প্রতিদিন সে সিঁড়িকে ক্ষতবিক্ষত করে উপরে ওঠে ভিজে দেশলাই কাঠির বারুদেরাও। দিশারী কমরেড ছাড়পত্রের উত্তরাধিকারী এক মার্কসবাদী লিখছেন দেশজ সংস্কৃতি বাদ দিয়ে আসতে পারে না সাম্যবাদ তাই ধর্মের আশ্রয়, তাই গলায় পৈতে, তাই ইফতার অথচ দেশের নিপীড়িত মানুষেরা পৈতেয় পিষ্ট তা তাঁরা দেখতে পায়না, ভাবেনা জাতি বৈষম্যের কথা তাঁরা দেখতে পায়না নবজাতক জাতের জঞ্জালে পরিত্রাহী চিৎকার করছে মুক্তির। তোমার ছাড়পত্র আজ শ্যাওলা বেষ্টিত আঠারো আজ জরাগ্রস্ত।। ১৪/০১২/২৫

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মঙ্গলজড়ি ১

মঙ্গলজড়ি জলাশয়ে অনেক পাখি আমরা দেখি, দেখতে থাকি নানা গোলার্ধের রং বাহারি পাখি আসে আছে আমাদের প্রতিবেশী পাখিও ওরা পাঁচমিশালি জীবন যাপন...