বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আক্রোশ

যারা হিংসা ছাড়া কিছু বোঝে না তাদের মোকাবিলা করতে হবে হিংসা দিয়ে, যারা খুন ভালবাসে তাদের খুন উপহার দিতে হবে। যারা কবর থেকে লাশ তুলে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়, যারা জ্যান্ত মানুষকে মেরে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে দেয়, যারা সাত বছরের শিশুকে ঘরে আটকে পুড়িয়ে মারে তাদের আর কী উপহার দেয়া যায় ? ওদের সৃষ্টিকর্তাও এই নরাধমদের এমন শাস্তি চায়। এসব রাগের কথা। দূষিত আবহাওয়ায় যখন গা ঘিনঘিন কেন্নরা বেড়ে ওঠে, যখন সবুজ পাতারা পচে যেতে থাকে, যখন পঁচা শামুখেরা পা কাটতে থাকে ক্রমাগত, যখন ঈদের চাঁদ খুশি বয়ে আনেনা - রাগেরা দল বেঁধে আসে। উগরে দিতে চায় ঘৃণা, জ্বলন্ত লাভা হয়ে আছড়ে পড়ে বারো ভুঁইয়ার বাংলায়। শ্মশান স্নিগ্ধ আবেশে বয়ে চলে আক্রোশ।

রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

চোখ মেলো কমরেড

চোখ মেলো কমরেড গৌতম আলী কমরেড সুকান্ত হবো ইতিহাস বলে চলে গেলে, ইতিহাস হলে পৃথিবীর জঞ্জাল সরাবার ছাড়পত্র লিখে গেলে শিশুর বাসযোগ্য করার প্রতিজ্ঞা করালে, করলে দেশলাই কাঠিতে বারুদের হদিস দিলে সে বারুদ জ্বলতে জ্বলতে নিভে গেল ধর্মের আফিমের বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে ধর্মে বুদ হয়ে গেল বারুদের উত্তাপ। প্রিয় কমরেড ছোট ছোট চারাগাছ যাদের জন্ম রক্তের, ঘামের আর চোখের জলের ধারায় ধারায় তারা এখনো রসহীন খাদ্যহীন বেড়ে ওঠে যত্রতত্র খবর হবার আগেই খাবার হয়ে যায় সূর্যের উত্তাপ ওদের গায়ে লাগে না সিঁড়ি হয়ে পিষ্ট হতে থাকে প্রতিদিন সে সিঁড়িকে ক্ষতবিক্ষত করে উপরে ওঠে ভিজে দেশলাই কাঠির বারুদেরাও। দিশারী কমরেড ছাড়পত্রের উত্তরাধিকারী এক মার্কসবাদী লিখছেন দেশজ সংস্কৃতি বাদ দিয়ে আসতে পারে না সাম্যবাদ তাই ধর্মের আশ্রয়, তাই গলায় পৈতে, তাই ইফতার অথচ দেশের নিপীড়িত মানুষেরা পৈতেয় পিষ্ট তা তাঁরা দেখতে পায়না, ভাবেনা জাতি বৈষম্যের কথা তাঁরা দেখতে পায়না নবজাতক জাতের জঞ্জালে পরিত্রাহী চিৎকার করছে মুক্তির। তোমার ছাড়পত্র আজ শ্যাওলা বেষ্টিত আঠারো আজ জরাগ্রস্ত।। ১৪/০১২/২৫

মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

মেধা ও ঈশ্বর

সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় কিছুই হয়না, আমাদের পরম্পরায় তিনি আছেন অনুপ্রেরণা হয়ে। উদয়নের সৃষ্টির মূলে ছিলেন গুরুচাঁদ, নম:শূদ্র/ মতুয়াদের ঈশ্বর, অনুপ্রেরণা। সেই অনুপ্রেরণায় সমাজপতি ও শিক্ষকেরা লড়েছেন, উৎসাহিত করেছেন, এবং শিক্ষার্থীরা মেধার বিকাশ ঘটাতে বাঁধা বিঘ্ন পেরিয়ে সফল হতে চেষ্টা করেছেন এবং করে চলেছেন। স্বপন কুমার শাখাঁরীর লেখায় তার বিশেষ প্রকাশ দেখতে পাই। তেমনি এক প্রাক্তনী ডাঃ নীহার রঞ্জন বিশ্বাস। চিতলকোনা গ্রামে জন্মেছেন। উদয়ন হয়ে অনেক বাধা টপকে প্রত্যাশার শীর্ষে উঠেছেন। তিনি একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। বর্তমানে দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত বালাজী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচর্য। তাঁর বই পড়লে জানা যাবে লড়াইয়ের কথা, উৎসাহিত হবে নতুন প্রজন্ম। একটা জাতির বেঁচে থাকার রসদ থাকে তার অতীতের লড়াইয়ের মধ্যে। সে লড়াইয়ের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা দরকার। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কম - বেশি লড়াই আছে যা লিখে রাখা দরকার। শ্রদ্ধেয় সতীশ চন্দ্র বিশ্বাস ( হাইশুর) উদয়নের ইতিহাস নিয়ে আত্মকথা লিখেছিলেন বলেই আমরা অতীতের রসদ পাচ্ছি। আসুন, আমরা অন্তত পরিবারের জন্য আমাদের লড়াইয়ের কথা লিখে রাখি , যা একদিন সমাজ উন্নয়নের আকর হবে, যেমন লিখেছেন ডাঃ নীহার রঞ্জন বিশ্বাস।

মঙ্গলজড়ি ১

মঙ্গলজড়ি জলাশয়ে অনেক পাখি আমরা দেখি, দেখতে থাকি নানা গোলার্ধের রং বাহারি পাখি আসে আছে আমাদের প্রতিবেশী পাখিও ওরা পাঁচমিশালি জীবন যাপন...